A Simple Key For ma chele choti Unveiled
A Simple Key For ma chele choti Unveiled
Blog Article
আমি- মা এবারে ফসল হলে তোমাকে আর একটুও দুঃখ করতে হবে না।
আমি- না কিছু না এই তো তুলছি বলে টেনে উপরে উঠলাম আর আমার বাঁড়া গামছা ঠেলে দারিয়ে আছে।
মা- কি জানি, তবে লোকে জানলে দোষ না জানলে আর কিসের দোষ।
বিকেলে ঘরের পাশে সব্জি খেতে গেলাম। জঙ্গল হয়েছে। আমি একদিকে আর মা একদিকে নিড়ানি দিচ্ছি। সামনা সামনি।
এভাবে চলতে লাগল বেশ কিছু দিন জল কমতেই চাষ শুরু করলাম হার ভাঙ্গা খাটুনি করে মা ও আমি চাষ শেষ করলাম। ফসল ভালই হয়েছে দেখতে দেখতে ৪ মাস কেতে গেল। ফসল তুলে ঠিক করে মারাই করে বাজার জাত করতে ৬ মাস কেটে গেল। অর্ধেক ফসল বিক্রি করে দিলাম। এবার কয়েকদিন একটু বিশ্রাম হবে। একটা পাঁঠা বিক্রি করে দিলাম। এই টাকা ও ফসল বিক্রির টাকা দিয়ে মাকে একটা সোনার মোটা চেইন কিনে দিলাম। মা বাংলা চটি খুশি হল খুব, এছার দুটো স্লিভলেস ব্লাউস ব্রা ও শাড়ি কিনে দিলাম।
আমি- মা আমি আর থাকতে পারছিনা দেখ আমার কি অবস্থা বলে মায়ের হাত আমার বাঁড়ার উপর দিলাম।
আমার মায়ের নাম রেনুকা মণ্ডল। মায়ের বয়স এই ৪২ বছর। আমার নাম নিতাই মণ্ডল। বাবার নাম ছিল নেপাল মণ্ডল। পারিবারিক আর কি বলব এখন মা ও আমি ভালই আছে। মায়ের চোখে এখন আরে জল নেই, মায়ের মনের দুঃখ আমি একটু হলেও থামাতে পেরেছি। সেই ঘটনা আজ আপনাদের বলব।
দাম অভিজিৎ ধর। (প্রথম পর্ব) প্রায় একরকম জোর করেই ঘরের ভেতরে ওকে নিয়ে এল রঞ্জন। পরিচ্ছন্ন ঘরটার কয়েক মুহুর্তের জরীপ শেষে গম্ভীর মুখে সুপ্রীতি বলল, ‘এই তোমার বেড়ানোর নতুন স্পট বুঝি?’ রঞ্জন একটু ...
মা- চল তো দেখে আসি বলে আমি মা দুজনে গেলাম। মা পাঁঠাটা এদিকে আস্ল কি করে।
........... যাহোক উনি অবশেষে আসলেন। এসে ঘরে ঢুকেই বলল - ...
আমি- আমি হ্যাঁ খুব ভালো আমার সব চাইতে পছন্দ।
আমি- মা তোমাকে সুখি করতে পারলেই আমার সুখ।
আমি ও মা কাজ শেষ করে বাড়ি যেতে দেখি দিদা ও মামা এসেছে। সবার খুব আনান্দ।
মা- তোর বাবাকে এনে দে আমি যে একা একা আর থাকতে পারিনা।